নাম পরিবর্তনের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে নতুন কিছু সৃষ্টি করেঃ… সৈয়দ সাহাবউদ্দিন আহমদ

লেখকঃ সৈয়দ সাহাবউদ্দিন আহমদ

রায় বাহাদুর ইশান চন্দ্র কর পুরকায়স্থ, মৌলভীবাজার মুন্সেফী আদালতের সরকারী উকিল ছিলেন । মৌলভীবাজার সদর উপজেলার বর্তমান ১১নং মোস্তফাপুর ইউনিয়নের “আজমেরু” প্রকাশিত “ভোজবল” গ্রামের সুনামধন্য একজন সমাজ সেবি ও খ্যাতিমান জমিদার ছিলেন ।

 

রায় বাহাদুর ইশান চন্দ্র কর পুরকায়স্থ আইন পেশার সুবিধার্থে মৌলভীবাজার শহরের সাবেক সেন্ট্রাল রোড বর্তমান এম, সাইফুর রহমান রোডের মৌলভীবাজার পৌষ্ট অফিসের লগ্ন উত্তর পূর্ব দিকে একটি বাসা ও তৎলগ্ন পশ্চিমে ঈশান চন্দ্র কর পুরকায়স্থ একটি পুজা মন্ড ও প্রতিষ্ঠা করে ছিলেন। তাঁর পরবর্তীতে তিনির পুত্র শৈলেশ চন্দ্র কর পুরকায়স্থ উকিল ঐ বাসায় অবস্থান করে আইন পেশা শুরু করেন এবং তিনির জীবমানে ঐ বাসায়ই আইন পেশা চালিয়ে যান ।

 

শৈলেশ চন্দ্র কর পুরকায়স্থ মৃত্যুর পর ঐ চেম্বারে আইন পেশা শুরু করেন শ্রীমঙ্গল উপজেলার উত্তর সুর গ্রামের খ্যাতিমান উকিল রাজেন্দ্র চন্দ্র বিশ্বাস মৌলভীবাজার মুন্সেফী আদালতে আইনজীবি হিসাবে আগমন করেন । রায় বাহাদুর ইশান চন্দ্র কর পুরকায়স্থ বাসায় বর্তমানে ১৯৮৪ ইংরেজী সাল হইতে কিয়দাংশে মৌলভীবাজার জেলা আইনজীবি সমিতির সিনিয়র আইনজীবি শ্রদ্ধেয় শান্তি পদ ঘোষ এডভোকেট অবস্থান করছেন।

 

রায় বাহাদুর ইশান চন্দ্র কর পুরকায়স্থ তিনি সমাজ এবং এলাকার মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে আজমেরু হইতে মৌলভীবাজার-শ্রীমঙ্গল সড়কের সাথে সংযুক্ত করে ১৯১১ সালে একটি রাস্তা নির্মাণ করেন যাহা “ইশান চন্দ্রের সড়ক” হিসাবে পরিচিত খ্যাতিমান ও প্রকাশিত ছিলেন । বর্তমানে ঐ রাস্তাটি পাগুলিয়া রোড হিসাবে দেখা যায়। আমাদের কে ঐ নাম পরিবর্তনের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে নতুন কিছু সৃষ্টি করে এবং পুরাতন ইতিহাস ও ঐতিহ্য কে রক্ষা করে নতুনের আবিষ্কারের ধারা সৃষ্টি করতে হবে ।

 

* সৈয়দ সাহাবউদ্দিন আহমদ। গোবিন্দশ্রী, মৌলভীবাজার।