বক্তব্যে সালামের অপব্যখা এবং ইসলাম ধর্মের সুষ্পষ্ট অবমাননা, …. ইয়াহিয়া চৌধুরী

ইয়াহিয়া চৌধুরী (সাবেক এমপি) দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ডক্টর ও প্রফেসর এবং অপরাধ বিজ্ঞানের বিভাগের চেয়ারম্যান পদবীধারী ব্যক্তির ইসলাম এবং দেশের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে এই ধারণা?

তার বক্তব্যে সালামের অপব্যখা এবং ইসলাম ধর্মের সুষ্পষ্ট অবমাননা। কারণ আসসালামুয়ালইকু ও রহমত উল্লাহ । যার অর্থ “ আপনার উপর শান্তি বরসিত হউক”। এ বাক্যটি ইসলামী মাসআলা অনুযায়ী সতভাগ সঠিক। যা তিনি জামাত-বিএনপির মাসআলা বলে স্টাবলিস্ট করতে চাচ্ছে। তর্কের খাতিরে ধরে নিলাম প্রফেসর জিয়ার বক্তব্য সঠিক তাহলে কি মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশ্যে ভাষন দেওয়ার সময় জাতীকে জামাত-বিএনপির মাসআলা অনুযায়ী সালাম জানাচ্ছেন।?!!!

 

এই সব ডক্টর ও প্রফেসর নামধারী চাটুকাররা যদি অন্তর থেকে শেখ হাসিনাকে ফলো করত তাহলে উনার চলন, বলন সব কিছুই ফলো করত এবং বুঝত। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৪১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রয়েছে। “ধর্মের অপব্যাখ্যায় জঙ্গিবাদ” বিষয়ক আলোচনায় মুসলিমদের শুদ্ধ উচ্চারণে “আসসালামু আলাইকুম” বলা ও “আল্লাহ হাফেজ” বলাকে অপব্যাখ্যা করে এসবকে জঙ্গিবাদের সাথে সম্পৃক্ত করেছে।

 

এসব মন্তব্যের দ্বারা বাংলাদেশের মুসলিমদের শুদ্ধভাবে ধর্মীয় ইবাদাত পালনের মৌলিক অধিকারকে খর্ব করতে চেয়েছে। এই ধরনের মন্তব্য ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক। উনার মন্তব্যসমূহ মুসলিম নাগরিকদের ধর্মীয় অনুভূতি বা ধর্মীয় মূল্যবোধের উপর আঘাত করেছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক জিয়াউর রহমান। দুটি অপরাধ করেছে।

(১) ডিবিসি নিউজ” টেলিভিশন চ্যানেলের টক শো-তে জিয়াউর রহমান ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রদান করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮-এর ২৮ ও ২৯ ধারায় অপরাধ করেছেন।
(২) যেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশ্যে ভাষন দেওয়ার সময় জাতীকে শুদ্ধ উচ্চারণে “আসসালামু আলাইকুম” বলেন পরফেসর জিয়া ভাষায় তা জামাত-বিএনপির মাসআলা বা জঙ্গিবাদের ভাষা অনুযায়ী সালাম জানাচ্ছেন।?!!!
যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাবমূতির ক্ষুন করার অপচেষ্টার সামিল। ….

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (সংশোধিত ২০১৩) যে কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বা কোনো গণমাধ্যমে এমন কিছু লেখা বা পোস্ট করা বা স্ট্যাটাস দেয়া বা মন্তব্য করা কিংবা ছবি বা ভিডিও আপলোড করা যার মাধ্যমে কারো মানহানি ঘটে, আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটে বা ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূতির্ ক্ষুনন হয় বা ধমীর্য় অনুভতিতে আঘাত করা বা করতে পারে বা এ ধরনের তথ্যাদির মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে উসকানি প্রদান করাসহ সবই ‘সাইবার অপরাধ’ বলে বিবেচিত হবে।

আইন লঙ্ঘনে বিচার প্রক্রিয়া ও শাস্তি : অনলাইন ব্যবহার করে কেউ কোনো অপরাধ করলে সংক্ষুব্ধ বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান থানায় অভিযোগ করতে পারে। পুলিশ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা (ওয়ারেন্ট) ছাড়াও গ্রেপ্তার করতে পারে। এ অপরাধ কিন্তু জামিন-অযোগ্য। কোনো অপরাধী, ব্যক্তি যে কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপরাধ-সংশ্লিষ্ট আলাপ-আলোচনা ও কথাবাতার্ অথবা অপরাধ-সংশ্লিষ্ট স্থির ও ভিডিওচিত্র অপরাধের আলামত হিসেবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আদালতে উপস্থাপন করতে পারবেন।

এবং আদালতে আমলযোগ্য হবে। অথার্ৎ সাক্ষ্য আইনে যাই থাকুক না কেন, মামলার জন্য তা আদালতের গ্রহণযোগ্য হবে।
অতএব সংক্ষুব্ধ বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা মাধ্যমে ৬৪ জেলায় ৬৪ টি মামলা করা যেতে পারে।

সংগ্রহীতঃঃ ইয়াহিয়া চৌধুরী    https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3432225696858136&id=100002122182814