গ্রামে গ্রামে করোনা ভাইরাস চরিয়ে পরছে, সতর্ক থাকুন ।

“জরুরি সতর্ক বার্তা”
গ্রামে গ্রামে করোনা ভাইরাস,

আসসালামু আলাইকুম
প্রিয় মৌলভীবাজার বাসী আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এজেলার প্রতিটি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে জানতে পারছি জেলার প্রতিটি গ্রামে বেশির ভাগ লোকের সর্দি-কাশি-জ্বর এসব করোনা ভাইরাস এর লক্ষ্মণ। অনেকেরই সর্দি-কাশি-জ্বর নিয়ে করোনা পরিক্ষা (টেষ্ট) করিয়ে দেখা যায় বেশির ভাগ লোকই করোনায় আক্রান্ত হয়ে আছেন।

আমি একজন সংবাদ কর্মী হিসাবে এ কয়দিনে যে তথ্য সংগ্রহ করেছি, তাতে আমার ধারণা এ জেলার প্রতিটি গ্রামে গ্রামে করোনা ভাইরাস চরিয়ে পরছে, কখন কে আক্রান্ত হবেন বলা যায় না। প্রত্যেকের পরিবারে বয়স্ক ও বৃদ্ধ মা-বাবা এমনকি নিজের ছোট ছোট ছেলে মেয়ে ভাই বোন রয়েছে। তাদেরকে করোনা ভাইরাস থেকে সুরক্ষার দিকে থাকিয়ে করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে আপনি নিজ বাড়িতে বা বাসায় অবস্থান করেন, কোব বেশি প্রয়োজন ছাড়া বাহিরে যাবেননা, আর যদিও কোন বিশেষ প্রয়োজনে বাহিরে যেতে হয় তাইলে হেন্ড-গ্লাভস ও মাস্ক পড়ে যাবেন।

আমি এ-ও জানতে পারছি যে, ১৫ জুলাই থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত সরকারি বিধি নিষেধ শিথিল হয়ার সম্ভবনা রয়েছে, কিন্তু করোনা ভাইরাস শিথিল হচ্ছে না। দিন দিন আক্রান্তের হার ও মৃত্যুর হার বাড়ছে, তা-ই নিজেকে নিজেকে নিজেই বাঁচাত হবে, একমাত্র সতর্ক থেকে। আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন, এই রোগে আক্রান্ত হলে কেউ কারো পাশে যায় না। তার একটি মাত্র কারণ এই রোগ চুয়া চুয়ি, কারো শরীরে এই রোগ থাকলে দ্রুত অন্যের শরীরে চরিয়ে পরে।

এই রোগ কার শরীরে আছে বুঝবার কোন উপায় নাই, হঠাৎ দেখবেন ৬/৭ দিন পরে দেখবেন আপনার শরীরে করোনা ভাইরাসে সংক্রমণে সংক্রামিত হয়ে গেছেন। তাই সময় থাকতে সতর্ক থাকার জন্য, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে আমার এই অনুসন্ধানী তথ্য সবার দৃষ্টি গোচরে আনার জন্য আমার এই লেখা। আমাদের সবাইকে ধৈর্যের সাথে সংকটকালীন সময় অতিবাহিত করতে হবে। আল্লাহ আমাদেরকে হেফাজত করুন, করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা করুন।

লেখকঃ শেখ মাহমুদুর রহমান।

প্রধান প্রতিবেদক,

দৈনিক বাংলার দিন ছাপা