আক্রান্ত হওয়ার ভয় ও কঠোর বিধিনিষেধ থাকার পরও ঈদ আনন্দে ভাটা পড়েনি।

পল্লীকণ্ঠ ডেস্কঃ  আজ বুধবার (১০ জিলহজ) পবিত্র ঈদুল-আজহা। বাঙালি সমাজে ‘কুরবানির ঈদ’ নামেও পরিচিত মুসলমানদের এই অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এদিন দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা ত্যাগের মহিমায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ঈদের নামাজ শেষে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি আদায়ে পশু কুরবানি দেবেন। বিশ্বের মুসলিমরা ১০ জিলহজ পশু কুরবানি করে থাকেন। তবে ১১ ও ১২ জিলহজও পশু কোরবানি করার বিধান রয়েছে। করোনা সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় ঈদের একদিন পরই ২৩ জুলাই ভোর ৬টা থেকে ৫ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত সারা দেশে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের ঘোষণা আগেই দিয়ে রেখেছে সরকার। ফলে চলমান করোনাভাইরাসের সংক্রমণ, আক্রান্ত হওয়ার ভয় ও কঠোর বিধিনিষেধ থাকার পরও ঈদ আনন্দে ভাটা পড়েনি। কারণ নাড়ির টানে বাড়ি ফিরতে কয়েকদিন ধরে দেখা গেছে গণপরিবহণে উপচে পড়া ভিড়। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পশুর হাটেও ছিল মানুষের ঢল।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে গত বছর ঈদগাহ মাঠ বা উন্মুক্ত স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠানে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল সরকার। এবার ঈদের জামাত মসজিদ, ঈদগাহ না খোলা জায়গায় আয়োজন করা হবে, তা জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে নির্ধারণ করবে স্থানীয় প্রশাসন। সরকারের পক্ষ থেকে এমন ঘোষণা দেওয়া হলেও এবারও জাতীয় ঈদগাহ মাঠে ঈদের কোনো জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। এর পরিবর্তে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদের প্রধান জামাতসহ ৫টি জামাত অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। ফলে রাজধানীসহ সারা দেশের মসজিদগুলোয়ই স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবাইকে ঈদের নামাজ পড়তে হবে। নামাজ শেষে কারও সঙ্গে কোলাকুলি বা হাত মেলানো যাবে না। শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশ্বব্যাপী চলছে করোনা মহামারির তা-ব। যার কারণে সীমিত আকারে অনুষ্ঠিত হচ্ছে পবিত্র হজ।