মৌলভীবাজার শহরের প্রাণকেন্দ্র জায়গাগুলোর লকডাউনের পরিস্থিতি

রুমেন আহমদ | স্টাফ রিপোর্টার ⭕ “আজ ২৪/ ০৭/ ২০২১ ইং রোজ শনিবার শহরের বিভিন্ন  গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে লকডাউনের দৃশ্যে দেখা যায় যে,শহরের সব জায়গায় পুলিশ -র‌্যাব-বিজিবির অবস্থান ছিলো।

তাদের টহলের সাথে ম্যাজিস্ট্রেটকেও দেখা গেছে তদারকি করতে। বাংলাদেশে যখন করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যু দ্রুত বাড়তেছে তখন ঈদের পরের দিন থেকে সরকার আরও ১৪ দিনের লকডাউনের ঘোষনা দেয় ও জনগন কে সচেতন করার জন্য বিভিন্ন বিধিনিষেধ এর উদ্যোগ নেয়।

আর সেই উদ্যোগে লোকজনের অবাধে চলাফেরা,যানবাহন যাতায়াত,দোকানপাট বন্ধ এসবের ওপর কড়া নজরদারি আরোপ করা হয়। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই মানছেনা লকডাউনের এই কর্মসূচি। শহরের মধ্যে সাধারণ জনগনের চলাফেরাসহ প্রাইভেট কার – সিএনজি এর যাতায়াত লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু সব ধরনের দোকান পাট বেশিরভাগই ছিলো বন্ধ।
শহরের বেরির পার পয়েন্টে এস আই জহুরুল ইসলামের নেতৃত্বে পাইভেট কার – মটর সাইকেল – সি এন জি থামিয়ে যাতায়াতের লক্ষ্য জানতে চাওয়া হয় আবার একপর্যায়ে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে ড্রাইভারদের কেও চলে যেতে দেখা যায়। এস আই জহুরুল ইসলাম জানান, আমরা জিজ্ঞেস করলেই সবাই একটা না একটা ইস্যু দেখিয়ে চলছে। তবে যারা কোন কারন দেখাতে পারতেছেনা তাদের কে আইনে আওতায় আনা হচ্ছে।

এরপর তিনি বলেন আমাদের প্রশাসন অনেক সচেতন আছে এই ব্যাপারে। ওনার ভাষ্যমতে, সরকাররের বিধিনিষেধ পুরোপুরিভাবে বাস্তবায়ন করতে বিপাকে পড়তে হচ্ছে নানানভাবে।তার কারণ সঠিকভাবে লকডাউন কেউ পালন করছেন না।

চৌমুহনীতে গেয়ে দেখা যায়, ম্যাজিস্ট্রেট সাফাখাত আলীর অভিযানে পাইভেট কার – মটর সাইকেল – সি এন জি থামিয়ে একইভাবে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে যাতায়াত করছে সবাই। উনার সাথে থাকা র‌্যাব  সদস্যরাও একে একে সবাইকে অযথা বের না হওয়ার অনুরোধ করেন এবং যারা অযথা বের হবেন তাদের কে আইনের আওতায় ও জরিমানা করা হবে বলে জানায় র‌্যাব সদস্যরা।আবার দেখা গেছে মাস্ক ছাড়া চলাফেরার কারনে কয়েক জনকে দাঁড়িয়ে রাখতে,এর আগে একজন মহিলা ম্যাজিস্ট্রেট বেরিপার থেকে মাস্ক না পরার কারনে একজন লোক কে গ্রেফতার করে নিয়ে যান।