নির্বাচিত মেয়র ও বোনদের অভিযোগ ভিত্তিহীন, বললেন সোহাগ।

Sheikh Sheikh

Muhaiminur Rahman

প্রকাশিত: 12:40 AM, November 29, 2021

পল্লীকণ্ঠ ডেস্কঃ আগামী ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া শ্রীমঙ্গল পৌরসভা নির্বাচনের মেয়র প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র মোঃ মহসিন মিয়া মধু তাঁর সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন, “আমার চাচি ও আমার কাকাতো দুই বোন এবং আমার স্ত্রীকে আটকে রেখে মাইরধর করছে আমার চাচাতো ভাই নৌকা সমর্থিত কর্মী জাহাঙ্গীর হোসেন সোহাগ”।

এমন অভিযোগের ভিত্তিতে জানতে চাওয়া হলে, সাবেক এমপি ও শ্রীমঙ্গল পৌরসভার সাবেক মেয়র মোঃ আহাদ মিয়ার পুত্র ও বিনাপ্রতিদ্বন্দিতায় নবনির্বাচিত শ্রীমঙ্গল পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মোঃ জাহাঙ্গীর আলম সোহাগ জানান, “আমি এহেন কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত নই। আমার বিরুদ্ধে গতকাল মেয়র মধু সাহেবের আনিত সকল অভিযোগ অসত্য, মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত”।

জাহাঙ্গীর আলম সোহাগ বলেন, “গতকাল ২৬ নভেম্বর শুক্রবার, আমার ৪ নম্বর ওয়ার্ড, পূর্বাশা আবাসিক এলাকায় দুপুর আনুমানিক ২টা ৩৭/৩৮ মিনিটে কিছু বাইরের ছেলেদের আমার গাড়ির রাখার জায়গায় সন্দেহজনক ঘুরাফেরা করতে দেখে, আমি তাদের ডাক দিলে তাদের মধ্যে ৪ জন দৌড়ে পালিয়ে যায়। তারা মোট ৭ জন ছিলো। এদের তিন জনকে ধরে তাদের নাম পরিচয় জানতে চাইলে, তারা তাদের নাম পরিচয় জানাতে অস্বীকৃতি জানায়, এসময় আমি তাদের আটক করে পুলিশকে খবর দেই। এসময় বাসা থেকে মেয়র সাহেবের স্ত্রী ও বোনরা বের হয়ে এসে আমাকে গালাগালি করে এবং আওয়ামিলীগ সমর্থক এক কর্মীকে আঘাত করে ও তাদেরকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে। এসময় আমি পুলিশের উপস্থিতিতে তাদেরকে ছেড়ে দেই। পরে জানতে পারি এরা বর্তমান মেয়র মধু মিয়ার কর্মী এবং তাদের বাড়ি সিন্দুরখান ইউনিয়নে”।

“আমি, আমার আম্মা, বোন ও মেয়র সাহেবের স্ত্রীর সাথে কোথাও কোন তর্কে জড়াইনি, মারধোর তো অনেক পরের বিষয়। তাছাড়া আমি, আমার দ্বারা আটককৃত ৩ জনকেও মারধোর করিনি। আপনারা চাইলে সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করতে পারেন। আইনশৃংখলা বাহিনী ও সাংবাদিকবৃন্দ চাইলে আমি তাদেরকে ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য প্রমান সরবরাহ করতে পারি।

এসময়, জাহাঙ্গীর আলম সোহাগ একটি সিসিটিভি ফুটেজ সাংবাদিকদের দেখান। পূর্বাশায় অবস্থিত গ্রীনভিউ রিসোর্টের সিসিটিভি ফুটেজ অনুসন্ধান করে দেখা যায়, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম সোহাগ কয়েকজন লোককে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং তাদেরকে একটি দোকানে ঢুকিয়ে সার্টার বন্ধ করে রাখেন। ফোনে কথা বলেন। এর কিছুক্ষণ পর সোহাগের বোন ও মেয়র সাহেবের স্ত্রী মরহুম আহাদ মিয়া বাসা থেকে বের হয়ে আসেন। এর কিছুক্ষন পর দুইটি মটর সাইকেলে ৪ জন পূলিশ আসেন। আরও কিছুক্ষণ পর আরও দুই মটর সাইকেলে আরও চারজন পুলিশ আসেন এবং সোহাগ কর্তৃক আটককৃত কয়েকজনকে ছাড়িয়ে দেন।