জামাত শিবিরের এজেন্ডা বাস্তবায়নে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুস সামাদ মিয়া।

পল্লীকণ্ঠ অনলাইন ডেস্কঃ জামাত শিবিরের এজেন্ডা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ। 

স্টাফ রিপোর্টার:: মৌলভীবাজার সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুস সামাদ মিয়া জামাত শিবিরের এজেন্ডা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দীর্ঘ দিন যাবৎ কাজ করে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে এখন টক অব দ্যা টাউনে পরিনত হয়েছে।

জানা যায় কয়েক মাস আগে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার সারাদেশে কয়েকশত মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে এমিপিও ভুক্তি করেন পাশাপাশি ঐসব স্কুলের দীর্ঘদিন কর্মরত শিক্ষকবৃন্দ সহ অফিস সহায়ক পদে যারা কর্মরত ছিলেন তাদেরকেও এমপিও ভুক্তির জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ শুরু করেন। সারা দেশের ন্যায় এই কার্যক্রম শুরু হয় মৌলভীবাজার সদর উপজেলা জুড়ে।

শিক্ষক এমপিও আবেদন শুরু হওয়ার পর থেকেই কানাঘুষা শুরু হয় মৌলভীবাজার সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুস সামাদ মিয়া প্রতিটি আবেদনের জন্য উপঢৌকন হিসেবে গ্রহণ করেন সর্বনিম্ন ৫০০০/ ( পাঁচ হাজার) টাকা থেকে শুরু করে অধিক যার কাছ থেকে যতো পারেন,এই বিষয়ে একাধিক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন আমরা সামাদ সাহেবের কাছে জিম্মি উনাকে খুশি না করতে পারলে যেকোনো অজুহাত দেখিয়ে আবেদন প্রাত্যাখ্যান করেন তাই বাধ্য হয়েই উনার চাহিদা মতো টাকা উনাকে দিতে হয় যা তিনি উপহার হিসেবে সবার কাছ থেকে চেয়ে নেন।

এই যখন পরিস্থিতি তখন প্রমাণ সহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড় উঠে জামাত শিবিরের একাধিক শিক্ষককে এমপিও করতে বিতর্কিত এই মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দৌড়ঝাঁপ,শুধু তাই নয় গাড়ি পোরানো সরকার বাদী মামলার আসামি শাহিন মিয়া কে এমপিও করতে উনার জোড়ালো তদবির যে শাহিন বর্তমানে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আটঘর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ভাইরল হওয়া সেই পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো এম ডি রুপসান এর

ফেইসবুক আইডি থেকে ** এই সেই জামাত শিবিরের প্রোডাক্ট তাও আবার মৌলভীবাজারে ১৮ বছর ধরে কিভাবে মৌলভীবাজার সদরে আছে। বউ কিভা‌বে আজমনি স্কুলের টিচার হয়। ছেলে কিভাবে ৪০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে কানাডা প্রবাসী। সরকার দিলো মটরসাইকেল, তিনি ব্যবহার করেন প্রাইভেট গাড়ি। বড় সৌভাগ্যবান ব্যক্তি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জঙ্গি আব্দুস সামাদ মিয়া।

শাহীন মিয়া, সাং ব্রাম্মনবাজার কুলাউড়া
বর্তমানে সে আটঘর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তার বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার মডেল থানায় দুটি বিস্ফোরণ মামলা রয়েছে, মামলার কাগজের ছবি দেওয়া হলো।

নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন জামাত শিবিরের সক্রিয় সদস্য কিভাবে এইরকম গুরুত্বপূর্ণ একটি চেয়ারে বিদ্যমান, আমার মাথায় ধরে না। যে লোকটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক হওয়ার সুবাদে স্কুলের ক্লাস রুম ও অফিসে জঙ্গী কার্যক্রম পরিচালনা করে, আমার মনে হয় বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা আজ রসাতলে।

কারা এর পেছনে কারা এদের মদদ দিচ্ছে
অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে, এই স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওই এলাকার সাধারণ নাগরিক সহ ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের পক্ষ থে‌কে শেখ রাহিব মিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন, উপজেলা চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসারের কাছে তদন্তের দায়িত্ব দেন।

উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার তদন্ত করে প্রধান শিক্ষক শাহীন মিয়ার বিরুদ্ধে জঙ্গি সংগঠন জামাত শিবিরের সাথে সংযুক্ত থাকার অনেক তথ্য সংবলিত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

কিন্তু উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুস ছামাদ মিয়া নিজেই একজন জামাত শিবিরের এজেন্ট, তার ঘুষ দুর্নীতির অনেক অভিযোগ রয়েছে, এমনকি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জঙ্গি আব্দুস ছামাদ মিয়া তার অনুসারী জঙ্গি শাহীনকে সমর্থন করে এমপিও ভুক্তি করার জন্য সরকারের উচ্চ পর্যায়ে সুপারিশ সহ প্রতিবেদন দাখিল করেন।

যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার প্রতিবেদন এবং উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার অবহিত করার পরও ঘুষ খেয়ে জঙ্গি শাহীনকে এমপিও ভুক্তির জন্য সুপারিশ করেন এই জঙ্গি উপজেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুস সামাদ মিয়া, এইরকম অথর্ব শিক্ষা অফিসার সরকারের দায়িত্বে থাকলে জনগণ এবং সরকার ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

অনেক খবরাখবর নিয়ে জানা যায়, উপজেলা শিক্ষা অফিসার নিয়োগ বানিজ্য সহ এমপিও ভুক্তির জন ঘুষ খেয়ে সরকারের উন্নয়নকে বাধা গ্রস্থ করছেন।
আমরা প্রমান সহ তথ্যাদি আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের দৃষ্টি কামনা করছি।
অবিলম্বেজঙ্গি শাহীন এবং জঙ্গি আব্দুস ছামাদ মিয়াকে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিতে হবে।

এখনি সময় জঙ্গিদের রুখে দেওয়ার নতুবা সোনার বাংলা আজ হুমকির মুখে। এই স্ট্যাটাসের মধ্যে অনেকেই কমেন্ট করেছেন তার মধ্যে কয়েকটি কমেন্ট তুলে ধরা হলো। ফারুক আহমেদ সুয়েব তার কমেন্টে বলেনঃএই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শহরের বিভিন্ন শিক্ষকদের সাথে বাজে ব্যবহার করেছেন এবং তাদেরকে অপমান করেছেন এবং তিনি ঘুষ বানিজ্যর সাতে জড়িত।

মুহিবুর রহমান রাসেল লিখেনঃএই রকম হাজারো জামায়ত, শিবির নেতাকর্মী আছে যারা বাংলাদেশে এবং আমাদের প্রিয় মৌলভীবাজারের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,সামাজিক সংগঠন,সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে চরম চতুরতার সহিত নিষিদ্ধ সংগঠন জামায়েতের এজেন্ডা ও জঙ্গি কাজকর্ম বাস্তবায়ন করার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। তারা সর্বদা তাদের তৈলাক্ত মুখের মাধ্যমে সরকারের সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করছে। কিন্তু তারা ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা’র সকল উন্নয়নকে সর্বদা অস্বীকার করে।

এম ডি তোজাম্মেল হোসেন তার কমেন্টে লিখেনঃ আমাদের মতো লাখো লাখো মুজিব সৈনিক আজও বেকারত্বে বুকভাঙ্গা কষ্ট নিয়ে জীবনযাপন করছেন অথচ এরকম শিবিরের বাচ্চারা আমাদের সোনার বাংলায় আমাদের মাথায় চরণ রেখে জীবনযাপন করছেন ভাবতেও অবাক লাগে।

সরকার জবলু তার কমেন্টে বলেনঃ শুধু তাই নয়, আজ পর‌্যন্ত তার কাছ থেকে কেউ সদর উপজেলার কোন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কোন তথ্য পায়নি। যারাই তথ্য চেয়েছে তাদের সাথেই সে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছে। একজন তথ্য প্রার্থীর অভিযোগ আমার কাছে আছে লিখিত প্রমানসহ। (চলবে)